Posts

ছোট বাচ্চাদেরকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অভ্যাস গড়ে তোলার কিছু সহজ টিপস

১. ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাদেরকে আল্লাহ্ সুবহানাহুতায়ালা, ইসলাম, নামাজ এবং নবী ও রাসুলগনদের জীবনী থেকে মজার মজার গল্প শুনান, অবশ্যই সহজ করে এবং মজা দিয়ে। ২. যখন আযান দেয়া হয় তাদেরকে মনোযোগ সহকারে আযান শুনতে বলুন । ৩. তাদেরকে নামাজের জন্য পোশাক কিনে দেন এবং নামাজের সময় হলে পরতে বলুন। ৪. তাদেরকে অজু করতে বলুন আপনার সাথে কারন শিশুরা পানি নিয়ে খেলতে পছন্দ করে। ৫. অজুর পর তাদেরকে যথাযথ ভাবে আপনার সাথে নামাজের নিয়ম গুলো অনুসরন করতে বলুন। মনে রাখবেন,তারা নামাজে অলসতা কিংবা নামজের মাঝখান থেকে চলে গেলেও আপনি শান্ত থাকুন, পরের নামাজে তাদেরকে আবার আপনার সাথে জয়েন করতে বলুন। ৬. আপনার বাচ্চাদেরকে নিয়ে মসজিদে যানএবং একসাথে নামাজ আদায় করুন। ৭. যখন তারা বড় হবে তাদেরকে নামাজের জন্য অনুপ্রাণিত করুণ। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ. সংগ্রহ : Aminul Islam

বিবাহের জন্য পাত্রী দেখা প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ফাতওয়া

—||| “ফাতওয়া” |||— ১। পাত্রী দেখার উদ্দেশ্যঃ ইসলাম একটি সর্বজনীন জীবনবিধান ।ইসলামে মানবজীবনের প্রতিটি অধ্যায় সম্পর্কে সু-স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে । #‎ বিবাহ মানব জীবনের অন্যতম একটি অধ্যায় ।একটি সুখী-সমৃদ্ধ দাম্পত্য জীবন গঠনে ইসলাম দিয়েছে সু-নির্দিষ্ট নীতিমালা ।বিবাহের পূর্বে পাত্র-পাত্রী দেখার পর্ব জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের মাঝে প্রচলিত বটে,কিন্তু মুসলমানদের জন্য তা গতানুগতিক বা নিছক প্রথাগত-ভাবে করার সুযোগ নেই । বরং পূর্ণ শরয়ী নীতিমালা অনুযায়ী তা করা বাঞ্ছনীয় ।প্রথমে জানতে হবে-পাত্রী কখন দেখা যায় ।দ্বিতীয়ত জানতে হবে-কী উদ্দেশ্যে দেখা যায় ।মনে রাখতে হবে-পাত্রী কোন পণ্য নয় যে, দেখতে থাকবে, অতঃপর যাকে পছন্দ হয় তাকে বিবাহ করবে ।অথচ কিছু লোক এরুপ অবাঞ্ছিত কাজ করে ।তারা একের পর এক পাত্রী দেখে আর ভাবে-এভাবে দেখে দেখে নির্ধারণ করবে যে, কাকে বিবাহ করবে ।এ কাজইসলামসম্মত নয় ।বরং শরীয়তের দৃষ্টিতে-সার্বিক দিক পর্যালোচনার করে যার সংঙ্গে বিবাহের বিষয় চুড়ান্ত হয়ে যাবে,শুধু তাকে সর্বশেষ দিক হিসেবে দেখার কথা বলা হয়েছে ।সুতরাং কাকে বিবাহ করবে-এটা নির্ধারণ করতে হবে দেখাদেখির আগেই ।বি...

ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা বিষয়ে কথিত আহলে হাদীসদের ধোঁকাবাজীঃ এক তাবলীগী ভাইকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা

লেখক- মুনাজিরে ইসলাম মাওলানা মুহাম্মদ আমীন সফদর ওকাড়বী রহঃ অনুবাদঃ লুৎফুর রহমান ফরায়েজী بسم الله الرحمن الرحيم গরমকাল। সপ্তাহের প্রথম সকাল। আমি ক্লাস করাতে যাবো বলে ঘর থেকে বের হলাম। দেখি দরজার বাইরে এক যুবক দাঁড়িয়ে আছে। খুব আদবের সাথে আমাকে সালাম দিল। জিজ্ঞেস করল আমার নাম কি? তার দু’চোখ বেয়ে অশ্র“ ঝরছিল। বলতে লাগলঃ হুজুর! আমি বহুত পেরেশানীতে আছি। আপনি একটু সময় বের করে আমার আবেদনটা একটু শুনুন। আমি তাকে আমার সাথে দরসগাহে নিয়ে এলাম। সে তার কাহিনী বলতে শুরু করলঃ “আমি খুব বদনসীব ও গোনাহগার মানুষ। আমি এমন এক কলেজে পড়তাম যেটি অমুসলিমদের। সেখানে আমরা মাত্র ছয়জন ছিলাম মুসলমান। আমাদের মাঝে একজনের তাবলীগ জামাতের সাথে সম্পর্ক ছিল। তার দাওয়াতে আমরাও তাবলীগের কাজে শরীক হয়ে গেলাম। আল্লাহর রহমাতে আমরা নামাযে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। সর্বাত্মক চেষ্টা থাকতো সব কাজ ফেলে হলেও জামাতের সাথে নামায পড়ার। এমনকি তাকবীরে উলার জন্যও ছিল আমাদের জোর প্রচেষ্টা। নিজেদের ভাই-বোন এবং এলাকার বন্ধু বান্ধবদেরও দাওয়াত দিতাম। এতে করে আল্লাহর রহমতে অনেক সফলতাও আসছিল। তাদের মাঝে অনেকে নামায পড়া শুরু করে দেয়।...

ডা. জাকির নায়ক ব্যক্তিটি কেমন?

প্রশ্ন: সম্মানিত মুফতি সাহেবান,দারুল উলুম দেওবন্দ! (আল্লাহ তা’আলা আপনাদেরকে দীর্ঘজীবি করুন) السلام عليكم ورحمة الله আমার জানার বিষয় হল ডা. জাকির নায়ক ব্যক্তিটি কেমন? তার আকিদা-বিশ্বাস কি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা-বিশ্বাসের সাথে সামাঞ্জস্যশীল? হাদিসের ব্যাখ্যা ও কুরআনের তাফসীরের ক্ষেত্রে তার মতামত কতটুকু গ্রহণ যোগ্য? এবং ফিকহ সাস্ত্রে তার মাযহাব কি? তিনি কোন ইমামের অনুসারী? আমরা তার আলোচনা শুনে তার উপর আমল করতে পারব কি না? দয়া করে সন্তুষজনক উত্তর দিয়ে ধন্য করবেন। নিবেদক রিয়াজ আহমদ খাঁন আলিয়া প্রিন্টার্স,উত্তর সুইয়া,ইলাহাবাদ,ভারত। মোবাইল-৯৭৯৪৮৬৭৭৭২ দৃষ্টি আর্কষণ: ডাঃ জাকির নায়ক সর্ম্পকে প্রতিনিয়ত ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন আসছেই,এ প্রশ্নটিও ঐ ধারাবাহিকতার অংশ বিশেষ। এখানে তার আকিদা-বিশ্বাস ও মাযহাব এবং কুরআন-হাদিস সম্পর্কে তার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মূল্যায়ন, বিস্তারিত আলোচনার আবেদন করা হয়েছে। তাই,ডা.জাকির নায়কের আলোচনা ও রচনাকে সামনে রেখে একটি সবিস্তার সমাধান পেশ করা হল। _________________ উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم، حامدا ومصليا ومسلما الجواب وبالله الت...

ইজতেমা 2015 পরিসংখ্যান

ইজতেমার ২য় পর্ব থেকে ৩৩৬৮ টি জামাত আল্লাহর রাস্তায় বের হয়েছে। ১) তিন চিল্লা ৩৯৮ টি জামাত। ২) এক চিল্লাা২৪৮৬ টি জামাত। ৩) দিনের ৩৮ টি জামাত। = মোট - ২৯২২ টি জামাত। ৪) আরব ৪৫ টি জামাত। ৫) ইংলিশ ৭০ টি জামাত। ৬) উর্দূ ৪ টি জামাত। ৭) বিদেশ ২৫৫ টি জামাত। ৮) মাস্তুরাত ৭২ টি জামাত। = মোট ৬৫৪ টি জামাত। সর্বমোট ৩৩৬৮ টি জামাত। বিশ্বইজতেমার দুই পর্ব মিলিয়ে- ১ম পর্ব - ৩৭৬৯ টি জামাত। ২য় পর্ব - ৩৩৬৮ টি জামাত। = মোট - ৭১৩৭ টি জামাত। এক একটি জামাতে ১৫ থেকে ২০ জন পর্যন্ত সাথী থাকে। তাহলে সর্বমোট কমপক্ষে ৭,১৩৭*১৫= ১,০৭,০৫৫ জন বা বেশী পক্ষে ৭,১৩৭*২০=১,৪২,৭৪০ জন মানুষ আল্লহর রাস্তায় বের হয়েছে। প্রতি দিন কাকরাইল মসজিদ থেকে চিল্লা ও তিনচিল্লার জামত বের হয়, আর প্রতি মাসে তিন দিনের জামার বের হয় আড়াই লাখের ওপরে। পুরো দুনিয়াতে মসজিদে কবুল হয়েছে এই একমাত্র মেহনত। বিদআতী ভাইদের বলছি, হকের পথে ফিরে আসার এখনও সময় আছে। মালাকুল মউত চলে আসার আগেই যোগ দিন। ঈমান নবায়ন করুন। নতুবা নড়বড়ে ঈমান নিয়া জিহাদে গেলে "দৌড়ের আগে মাইরের পিছে" অবস্থা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। মাঝে মাঝে কিছু...

কি ভূমিকা ছিল কওমী উলামাদের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে?

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কওমি মাদ্রাসার কয়েক জন ছাত্র হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভীর সর্বশেষ জীবিত খলিফা হাফেজ্জি হুজুর রহমাতুল্লাহ আলাইহি কে জিজ্ঞাসা করেছিল, এই যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে এই যুদ্ধটা সম্পর্কে আপনার অভিমত কি ? তখন হাফেজ্জি হুজুর রহমাতুল্লাহ আলাই উত্তর দিয়েছিলেন- এটা হচ্ছে জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের যুদ্ধ। পাকিস্তানিরা হচ্ছে জালেম আর আমরা বাঙ্গালীরা হচ্ছি মজলুম। হাফেজ্জি হুজুরের এই কথা শুনে অনেক আলেম মুক্তিযুদ্ধে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সাংবাদিক শাকের হোসাইন শিবলির একটি বই আছে “আলেম মুক্তিযুদ্ধাদের খোঁজে”এই বইটিতে আপনারা অনেক বড় বড় আলেম যারা দেশের বিভিন্ন ক্বওমী মাদ্রাসা থেকে পাস করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁদের বীরত্বের কাহিনী পাবেন। কিন্তু ঐ আলেমরা কিন্তু ওলামা লীগ করতো না। তাঁরা শুধু দেশ মাতৃকার টানে ও নির্যাতীত নারীদের কে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর লালসার হাত থেকে বাঁচানোর জন্যই মুক্তিযুদ্ধ করেছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রধান মুহাদ্দিস ছিলেন শায়খুল ইসলাম আমীমুল এহসান (রহঃ)। আমীমুল এহসান(রর্হঃ) তিনিও কিন্তু পাকিস্ত...

হযরত মাওলানা সা'দ সাহেব (দা:বা) এর নসিহতের মধ্যে কিছু নসিহত :ইজতেমা 2015

১.আলেম -ওলামাদের সাথে সাক্ষাৎ করাকে নিশ্চিতরূপে ইবাদত মনে কর। ২.এলেম অর্জনের আধুনিক উপায় (যেমন নিজে নিজে বই পড়ে,ইন্টারনেটের মাধ্যমে, কম্পিউটারের মাধ্যমে ইত্যাদি) এর মাধ্যমে এলেম অর্জনের মাধ্যম মনে করে আলেমদের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত হইও না,এলম শিক্ষার পরিবেশ থেকে নিজেকে দূরে রেখ না। ৩.মাদ্রাসাকে এলেমের দূর্গ মনে কর।এখানে বেশি বেশি সাহায্য সহযোগিতা কর।এখানে বেশি বেশি যাতায়াত কর। ৪.নিজ দায়িত্বে এলাকায় মক্তব চালু কর।যেন এমন কোন শিশু বড় না হয় যে কুর আন পড়তে পারে না। ৬.সকল সমস্যার সমাধান নামাজের দ্বারা (আল্লাহর থেকে) সমাধানের চেষ্টা কর। ৭.ঘরের মধ্যে তালিম চালু কর।বদ দ্বীন দূর হয়ে যাবে। ৮.রেওয়াজি মেহনত দিয়ে দ্বীন জিন্দা হবে না।সাহাবাওয়ালা ত্বরিকায় মেহনত করতে হবে।এজন্য বেশি বেশি করে হায়াতুস সাহাবা কিতাব পড়। ৯.মানুষকে মসজিদের দিকে ডাক।মসজিদের পরিবেশে এনে তাকে দাওয়াত দাও। ১০. মসজিদে ২৪ ঘণ্টা আমল চালু রাখ। ১১.তিন ধরনের লোক আল্লাহ থেকে কিছু নিতে পারে না। এক,যারা এই এক্বিন রাখে যে আল্লাহই সব করেন কিন্তু দেবদেবীরর মাধ্যমে করেন। দুই,যারা এই এক্বিন রাখে যে আল্লাহই সব করেন কিন্ত...