Posts

Showing posts from 2016

নিজের লেখা-০১----

বড়দের কাছে শোনা ,বড়দের মানে আলেম উলামা,কারন তারাই উম্মতের রাহাবর অর্থাৎ পথপ্রদর্শক ।তাই বলছিলাম বড়রা বলেন সোহবত থেকে সাহাবা শব্দ এসেছে।সাহাবারা সাইয়েদুল মুরসালিন খাতাবুন্নাবিয়্যিন আহমাদ মুজতবা মুহাম্মাদ মুসতফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সোহবতে ছিলেন তাই তাহারা সাহাবা রাজিয়াল্লাহু আনহুম ।তারপর থেকে যারাই আল্লাহওলাদের সোহবত থেকে দ্বীন ইসলামের জ্ঞান হাসিল করেছে তারাই সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছে।তাদের নাম দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গা পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে । কারাইলের মুরুব্বী হযরত মাওলানা  রবিউল হক সাহেব দা বা একবার আমাদের মহল্লার এক ইফতা মাদ্রাসার মুহতামিম সাহেব যিনি আবার হযরত মাওলানা রবিউল হক সাহেব দা বা এর দূরসম্পর্কের নাতী হন ।মুহতামিম সাহেব হযরতের সাথে আমাদের মারকাজে দেখা করতে গেলে বলেছিলেন রুহানী নুরের অনেক কমতি হয়ে গেছে, তোমার আব্বার কাছে যাওয়া লাগবে নূর রিচাজ করার জন্ন,এখানে উল্লেখ্য যে মুহতামিম সাহেবের আব্বা আবার বাংলাদেশের অনেক বিখ্যাত আলেমদের একজন । এটা থেকে বোঝা যায় ইলমে নূর অনেক বিশাল এক জিনিস ,যাদের কাছে আছে তাদের পিছন পিছন দৌড়াতে হয় ,জুতা ক্ষয় করতে হয় তাদের জুতা বহন করতে হয় ।তাই...

আত্মশুদ্ধির জন্য বাই‘আত হওয়া বিদ্‌‘আত নয় বরং জরুরী

عن عوف بن مالک الأشجعیؓ قال : کنا عند رسول اللہ ۔ ﷺ ۔ تسعۃ أو ثما نیۃ أو سبعۃ فقال : ألا تبایعون رسول اللہ ؟ ۔ ﷺ ۔ وکنا حدیث عہد ببیعۃ فقلنا : قد بایعناک یا رسول اللہ ! ثم قال: ألا تبا یعون رسول اللہ ؟ فقلنا : قد با یعناک یا رسول اللہ ! ثم قال : ألا تبا یعون رسول اللہ ؟ قال فبسطنا أیدینا و قلنا : قد با یعناک یا رسول اللہ فعلام نبایعک ؟ قال : علی أن تعبدوا اللہ و لا تشرکوا بہ شیئا و الصلوات الخمس و تطیعوا و لا تسألوا الناس شیئا. فلقد رأیت بعض أولئک النفر یسقط سوط أحدہم فما یسأل احدا یناولہ إیاہ . رواہ مسلم فی’’ صحیحہ ‘‘ برقم ( ۱۰۴۳) کتاب الزکوۃ ‘ باب کراہیۃ المسئلۃ للناس . অর্থ: হযরত আউফ ইবনে মালেক আল আশজাঈ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা নয় জন বা আট জন বা সাত জন প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অবস্থান করছিলাম। ইত্যবসরে তিনি বললেন: তোমরা কি রাসূলুল্লাহর হাতে বাই‘আত হবে না? (সাহাবী বললেন) যেহেতু আমরা সবেমাত্র বাইআত হয়েছি, তাই বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরাতো আপনার হাতে বাইআত হয়েছি। তিনি পুনরায় বললেন: “তোমরা কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলা...

ফাজায়েলে আমাল নিয়ে এত বিভ্রান্তি কেন?-মাসিক আল-আবরার

ফাজায়েলে আমাল নিয়ে এত বিভ্রান্তি কেন? মাসিক আল-আবরার ========================================================= উচ্চতর হাদীস গবেষণা বিভাগ : মারকাযুল ফিকরিল ইসলামী বাংলাদেশ ========================================================= ‘ফাজায়েলে আমাল’ পরিচিতি ========================================================= বর্তমান দুনিয়ায় পবিত্র কোরআনের পর সর্বাধিক পঠিত এবং সর্বাধিক ভাষায় অনূদিত গ্রন্থ ‘ফাজায়েলে আমাল’। ========================================================= বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের মাঝে ব্যাপক আকারে দ্বীনি আমলের প্রেরণা সৃষ্টি, দুনিয়ামুখী মুসলমানদের দ্বীনমুখীকরণ এবং আল্লাহ ও রাসূল (সা.) বিমুখ মানুষকে আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর তরীকামুখী করার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থের অত্যধিক ভূমিকা একটি অনস্বীকার্য বাস্তবতা। তাবলীগি জামাআত এটি মুসলিম উম্মাহর এমন একটি দাওয়াতি কাফেলা যারা নিঃস্বার্থ, নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল ও নিরলসভাবে কোরআন ও সুন্নাহর বাণী নিয়ে বিশ্বের প্রতিটি জনপদে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। এর বরকতে সিরাতে মুস্তাকীমের পথে আসছে বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান। তাবলীগ এবং সাধারণ মুস...