Tuesday, August 30, 2016

নিজের লেখা-০১----

বড়দের কাছে শোনা ,বড়দের মানে আলেম উলামা,কারন তারাই উম্মতের রাহাবর অর্থাৎ পথপ্রদর্শক ।তাই বলছিলাম বড়রা বলেন সোহবত থেকে সাহাবা শব্দ এসেছে।সাহাবারা সাইয়েদুল মুরসালিন খাতাবুন্নাবিয়্যিন আহমাদ মুজতবা মুহাম্মাদ মুসতফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সোহবতে ছিলেন তাই তাহারা সাহাবা রাজিয়াল্লাহু আনহুম ।তারপর থেকে যারাই আল্লাহওলাদের সোহবত থেকে দ্বীন ইসলামের জ্ঞান হাসিল করেছে তারাই সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছে।তাদের নাম দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গা পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে । কারাইলের মুরুব্বী হযরত মাওলানা রবিউল হক সাহেব দা বা একবার আমাদের মহল্লার এক ইফতা মাদ্রাসার মুহতামিম সাহেব যিনি আবার হযরত মাওলানা রবিউল হক সাহেব দা বা এর দূরসম্পর্কের নাতী হন ।মুহতামিম সাহেব হযরতের সাথে আমাদের মারকাজে দেখা করতে গেলে বলেছিলেন রুহানী নুরের অনেক কমতি হয়ে গেছে, তোমার আব্বার কাছে যাওয়া লাগবে নূর রিচাজ করার জন্ন,এখানে উল্লেখ্য যে মুহতামিম সাহেবের আব্বা আবার বাংলাদেশের অনেক বিখ্যাত আলেমদের একজন । এটা থেকে বোঝা যায় ইলমে নূর অনেক বিশাল এক জিনিস ,যাদের কাছে আছে তাদের পিছন পিছন দৌড়াতে হয় ,জুতা ক্ষয় করতে হয় তাদের জুতা বহন করতে হয় ।তাইতো আমাদের প্রফেসর হযরত হামীদুর রহমান সাহেব দা বা সবসময় বলেন আমি যা শিখেছি যা জেনেছি আলেম উলা্মাদের জুতা বহন করে।ইলমে নূর এমন এক জ্ঞান, এমন এক জ্ঞান এই জ্ঞান যাদের কাছে আছে তাদের কাছে না গেলে পাও্য়া যাবে না । এইজন্য প্রায় প্রবাদের মত বলা হয় মাওলানা রুমী মাওলানা রুমী না হত যদি শামসুদ্দিন তাবরেজীর সোহবতে না থাকত ।একজন কাদিয়ানী আইনজীবী ইকবাল আল্লামা ইকবাল (রঃ) না হত যদি আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি (র:) এর সোহবতে না পাইত । মুরহুম আল্লামা ইকবাল (রঃ) আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি (র:) এর দাওয়াতে তিন দিন মসজিদে কাটিয়ে তোওবা করে আল্লামা ইকবাল (রঃ) হয়ে গেলেন।আসলে এই থেকে বোঝা যায় দায়াতের কাজে সোহবত খুব গুরুত্ব রাখে ।প্রতেক মানুষের কোন না কোন হক্কানি আল্লাহওয়ালা মানুষের সোহবতে থাকা উচিত ।উলামা কেরাম এই বিষয়ে সম্পূর্ণ এক মত চাই সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় তিন দিন ,দেনেওয়ালা অথবা তিন চিল্লা অথবা এক সাল দেনেওয়ালা অথবা কোনটাই দেন নাই যে হক্কানি আল্লাহওয়ালা মানুষের সোহবতে থাকা ওয়াজিব ।আল্লাহ আমাকে ও সবাইকে দ্বীন ইসলামের খেদমতের থেকে ঈমানের সহিত কবুল করুক ।আমীন

No comments:

Post a Comment